শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি ফেরিতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভীড়

জাহিদ হাসান,মাদারীপুর:

কাঠালবাড়ি শিমুলিয়া নৌরুটে সোমবার সকাল থেকেই ছিলো ভীর। দেশের সার্বিক করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় নৌ-রুটের সকল লঞ্চ ও সী-বোট বন্ধ করায় ফেরিতে ঘাটে বাড়তি চাপ যাত্রীদের। এই সুযোগে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়েও তারা ফিরছেন বাড়িতে। অনেকে আবার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রলারে করেও পার হচ্ছেন নদী।
কাঠালবাড়ি ফেরি ঘাট, লঞ্চ ঘাট ও সী-বোট ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, মাছ ধরার অসংখ্য অবৈধ ট্রলারে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করে পদ্মা নদী পাড়ি দিচ্ছে।
দেখো গেছে, ঘরমুখো যাত্রীদের ভিড় ছিল ঈদের চেয়ে বেশি। করোনাভাইরাস সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে তাদের মাইকিং করে নিরাপদ দূরুত্বে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। যাত্রীদের সচেতনতাও ঝুঁকি এড়াতে ফেরিতে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
সকাল থেকে কাঁঠালবাড়ি ঘাটে যাত্রীদের চাপ দেখা গেছে। এদিকে বেরেছে ছোট যাণবাহন ও পন্যবাহী ট্রাকের চাপও। সরকারের ঘোষনা অনুযায়ী লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ থাকলেও ফেরীযোগে পাড়ি দিচ্ছে সাধারন যাত্রীরা। এদিকে ছোট যানবাহন ও পন্যবাহী ট্রাকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ১২ টি ফেরি চালু রেখেছে ঘাট কতৃপক্ষ।
মাদারীপুরের শিবচরের কাঁঠালবাড়ি ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক আব্দুল আলিম মিয়া জানান, সরকারি নির্দেশনা পাওয়ার পর এই নৌ-রুটে চলাচলকারী ১৭টি ফেরির মধ্যে ১০টির চলাচল বন্ধ রাখা হয়। তবে, জরুরী প্রয়োজনে এ্যাম্বুলেন্স ও সরকারী প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পারাপারের ৭টি ফেরি সীমিত আকারে চলাচল করতো। যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় এখন ১২টি ফেরি চালু রাখা হয়েছে। লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীরা ফেরিতে পারাপার হচ্ছে।

পাঠকের মতামত

আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

আমাদের অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ