শরতে সাদা কাশবন: স্নিগ্ধ এক বিকেল

ওবায়দুর রহমান :

ভাদ্র-আশ্বিন এই দুই মাস শরতকাল। এই সময় প্রকৃতি নতুন প্রাণ ফিরে পায়। শরতের আগমনী বার্তা দিয়ে থাকে কাশফুলের মাধ্যমে। এই আগমনী বার্তায় উজ্জীবিত হয় প্রকৃতি প্রেমীরা। প্রকৃতির এই সৌন্দর্য্যে মুগ্ধ হয়ে তারা ঘুরতে আসে সাদা কাশবনে।

বলছি আমুলিয়া মডেল টাউন এর কথা। ডেমরা থেকে রামপুরা যাওয়ার সময় দেখতে পাওয়া যায় এই বিশাল টাউনটি।

এইতো সেদিন, এগার জনের একটি দল চলে গেল আমুলিয়া মডেল টাউনের উদ্দেশ্যে কাশফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে। সেখানে প্রবেশ করে দেখা গেল বাতাসের সাথে সাথে কাশবন ধুলছে। দেখে মনে হলো কাশফুল গুলো সবাইকে স্বাগতম জানাচ্ছে।

যন্ত্রমানব এর মতো মানুষ গুলো মুহুর্তেই হয়ে ওঠে প্রকৃতি প্রেমী। ভিতরে ঢুকতে দেখা মিলে আরো অনেক দর্শনার্থীর। কেউ হাতে কাশফুল নিয়ে সেই মুহূর্তটাকে তাদের ক্যামেরায় বন্দি করতে ব্যস্ত। কেউ আবার এই ঘন কাশবনের একটু ভিতরে যাওয়ার চেষ্টায় ব্যস্ত।

প্রকৃতি আর দর্শনার্থীদের মিলনে এবং তাদের বিভিন্নজনের বিভিন্ন সাজে যে কেউ মুগ্ধ হওয়ারই কথা। আমিও মুগ্ধ না হয়ে থাকতে পারিনি। তরুণদের বিভিন্ন দৃশ্য ক্যামেরায় বন্দি করাটা চোখে পড়ার মতো ছিল। রাস্তার দুপাশে সুন্দর এই সাদা কাশফুল এবং উপরের আকাশটি যদি ঘননীল থাকে তাহলেতো পরিবেশটা যে কাউকে মুগ্ধ করবে।
সূর্যের অস্ত যাওয়া মূহুর্তটাও ছিল মনোমুগ্ধকর। এই পরিবেশটা উপভোগ করতে পারলে হয়তো সকলেরই মনের মধ্যে প্রকৃতি প্রেম নাড়া দিবে।

তাইতো বলি-

“কেন তুমি পড়ে থাকো অন্ধকারে
চলনা ঘুরে আসি
এই প্রকৃতির মুগ্ধতারই মাঝে,
মুছে ফেল চোখের অশ্রু
উজ্জীবিত কর নিজেকে
এই প্রকৃতির দ্বারে।
সব কিছুইতো আসে আবার চলে যায়। তেমনি শরতকাল ও চলে যাবে। আর মাত্র কয়েক দিন।
যদি করিতে চাও
নিজেকে রঙিন করে সাজাতে
ঘুরে এসো প্রকৃতির মাঝে,
দেখিবে মন কেমন
প্রকৃতির মুগ্ধতায় ডুবে যাবে।”

পাঠকের মতামত

আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

আমাদের অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ