রাবি ছাত্রলীগের ৫ ফেব্রুয়ারির হল সম্মেলন স্থগিত

 

মারুফ হাসান, রাবি প্রতিনিধি:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রলীগের হল সম্মেলন আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তা স্থগিত করা হয়েছে। রবিবার বিকেলে রাবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া ও সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে নিশ্চিতভাবে কবে হল সম্মেলন হতে পারে সে বিষয়ে জানাতে পারেনি রাবি ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।

সভাপতি কিবরিয়া বলেন, সাময়য়িকভাবে ছাত্রলীগের হল সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে। তবে রাজশাহী সিটি করর্পোরেশনের (রাসিক) মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন (ভাই) ব্যস্ত থাকার কারণে এই সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে। তবে খুব দ্রুতই সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করা হবে।

মেয়র কবে সময় দিতে পারেন? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, তার মুখ থেকে আমরা একটা সময় চেয়েছি। তিনি আওয়ামীগের সম্মেলনের জন্য ৫ ফেব্রুয়ারি ব্যস্ত থাকবেন। তিনি ঢাকা থেকে ফিরে এসে দ্রুত সময় দিবেন।

এদিকে সাময়িক স্থগিতের বিষয়ে সাধারণ সম্পাদক রুনু আহমেদ বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি মহানগর আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ উপলক্ষে কেন্দ্র থেকে নেতাকর্মীরা আসার কথা রয়েছে। তাই লিটন ভাই ব্যস্ত থাকবেন। তাই এই সম্মেলন সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে।

এদিকে আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি হল সম্মেলকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। রাজনীতিতে চাঙ্গা হয়ে উঠেছে নেতা-কর্মীরা। কে আসছেন হলের দায়িত্বে- এ নিয়ে আবাসিক শিক্ষার্থী ও নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। ব্যানার-ফেস্টুন ও মিছিল-মিটিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন পদপ্রত্যাশীরা। নিয়ম করে দলীয় টেন্টে বেড়েছে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি। আবাসিক হল ও ক্যাম্পাস স্লোগানে মুখর। সবমিলিয়ে ক্যাম্পাসে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।

শহীদ হবিবুর রহমান হলের সভাপতি পদপ্রার্থী আরেফিন মেহেদী হাসান বলেন, স্থগিত হয়েছে কোন কারণে। তবে অতিদ্রুত হল সম্মেলন হবে এমনটাই আমাদের প্রত্যাশা। প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। আর এই উদ্দীপনার মাঝেই সম্মেলন হলে নেতাকর্মীরা নতুন করে রাজনীতিতে আগ্রহী হয়ে উঠবে।

মাদার বখ্শ হলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী শফিউর রহমান রাথিক বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি মহানগর আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সে হিসাবে রাসিক মেয়রসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা ব্যাস্ত থাকবেন। তাই হয়তো সম্মেলন স্থগিত হয়েছে। তবে হল সম্মেলকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে যে উৎসহ-উদ্দীপনা ও প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। তাতে ভাটা পড়েবে না বলে বলে জানান তিনি।

সবশেষ ২০১৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি ও ২২ নভেম্বর দুই ধাপে ছাত্রদের ১১টি হলের সম্মেলন হয়। পরে বিভিন্ন সময়ে ৯টি হলের কমিটি ঘোষণা করা হয়। বাদ রাখা হয় শের-ই-বাংলা ও শহীদ জিয়াউর রহমান হল শাখার কমিটি।

পাঠকের মতামত

আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

আমাদের অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ