মেডিকেল ভর্তির শেষ সময়ের প্রস্তুতি ২০১৯-২০ । ভর্তিযুদ্ধ পর্ব-০৩

 

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ভর্তির আবেদন শুরু হয়েছে

আবেদনের তারিখঃ
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ভর্তির আবেদন ২৭ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ১১ টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ভর্তির আবেদন করা যাবে। ওয়েব-সাইট: : www.dghs.gov.bd

আবেদনের যোগ্যতা :
যে সকল শিক্ষার্থী ২০১৬ বা ২০১৭ সালে মাধ্যমিক ও ২০১৮ বা ২০১৯ সালে উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষায় পদার্থ, রসায়ন ও জীববিজ্ঞানসহ উত্তীর্ণ হয়েছে তারা মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারবে। কিন্তু একজন পরীক্ষার্থীর অবশ্যই মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ দ্বয়ের যোগফল কমপক্ষে ৯.০০ হতে হবে। এছাড়া, উচ্চ-মাধ্যমিকে জীববিজ্ঞানে ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ থাকতে হবে।
এছাড়া, মেডিকেল ভর্তির আবেদন করার জন্য সকল উপজাতীয় ও পার্বত্য জেলার অ-উপজাতীয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রে উভয় পরীক্ষার মোট জিপিএ ৮.০০ হলেই আবেদন করতে পারবে।

আবেদন ফি ও প্রবেশ সংগ্রহঃ
সমন্বিত মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০০ টাকা। তবে আবেদন ফি শুধুমাত্র প্রিপেইড টেলিটকের মাধ্যমে জমা দেয়া যাবে।
এবং আবেদন সম্পন্ন করার পর ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে।

পরীক্ষার সময়কালঃ
সারাদেশে একযোগে এমবিবিএস কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা ০৪ অক্টোবর সকাল ১০ টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

মানবন্টনঃ
২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা ১০০ নম্বরের ১০০ টি এমসিকিউ প্রশ্নের ১ ঘন্টায় অনুষ্ঠিত হবে। সেক্ষেত্রে বিষয ভিত্তিক ,পদার্থবিদ্যা-২০, রসায়নবিদ্যা-২৫, জীববিজ্ঞান-৩০, ইংরেজি-১৫ এবং সাধারণ জ্ঞানে- ১০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তবে এবার সাধারণ জ্ঞান অংশ থেকে আন্তর্জাতিক বিষয়টি বাদ দেযা হয়েছে। সেক্ষেত্রে সাধারণ জ্ঞান অংশে প্রশ্ন হবে বাংলাদেশের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে।

নম্বর বন্টনঃ
এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় মাধ্যমিক পরীক্ষার জিপিএ কে ১৫ দিয়ে গুণ এবং উচ্চ-মাধ্যমিকে প্রাপ্ত জিপিএ কে ২৫ দিয়ে গুণ করে ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের সাথে যোগ করে মেধা তালিকা প্রকাশ করা হবে। কিন্তু পূর্ববর্তী বছরে উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মোট নম্বর থেকে ৫ নম্বর কর্তন করা হবে এবং পূর্ববর্তী বছরের সরকারি মেডিকেল, ডেন্টাল এ ভর্তিকৃতদের ক্ষেত্রে ৭.৫ নম্বর কর্তন করা হবে। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে এবং লিখিত পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে ৪০ নম্বর পেলে কৃতকার্য বলে গণ্য হবে । শুধুমাত্র কৃতকার্য শিক্ষার্থীদেরই মেধা তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হবে।

পাঠকের মতামত

আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

আমাদের অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ