বিদায়ী বছরে এক হাজার ৮৩৩ কোটি ডলার রেমিটেন্স পাঠানোর রেকর্ড।

বিদায়ী বছরে এক হাজার ৮৩৩ কোটি ডলার পাঠিয়ে দেশের ইতিহাসে প্রবাসীরা রেমিটেন্স পাঠানোর ক্ষেত্রে রেকর্ড গড়েছেন। রেমিটেন্সের ওপর ২ শতাংশ প্রণোদনা দেয়ার কারণে অবৈধ পথে অর্থ পাঠানোর হার কমে গেছে। এ কারণে প্রবাসীরা রেকর্ড পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা পাঠিয়েছেন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০১৯-২০ অর্থ বছরের প্রথম ৭ মাস, জুলাই থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত এক হাজার ১০৪ কোটি ১৯ লাখ বা ১১ দশমিক শূন্য ৪ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২১ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেশি। আর ২০১৯ সালে এক হাজার ৮৩৩ কোটি ডলার রেমিটেন্স দেশে এসেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ২৭৮ কোটি ডলার বেশি। গত বছরের ১ জুলাই থেকে রেমিটেন্সের বিপরীতে সরকার বিশেষ ২ শতাংশ প্রণোদনা দেয়া শুরু করে। এ জন্য বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয় ৩ হাজার ৬০ কোটি টাকা। প্রণোদনা দেয়া শুরু হওয়ায় প্রবাসীরা দেশে বৈধ পথে আগের চেয়ে বেশি টাকা পাঠানোয় রেমিটেন্স প্রবাহ বেড়েছে রেকর্ড পরিমাণে।

যুক্তরাজ্য প্রবাসী মশিউর রহমান চৌধুরী মাসুম বলেন, সবাই উৎসাহিত হচ্ছে সরকারি অনুদানের জন্য। এতে আমাদের দেশের রেমিটেন্সের জন্যও উপকারী হবে।

এফবিসিসিআই পরিচালক খন্দকার সিপার আহমদ বলেন, অবৈধ পথে যেটা আসার কথা এটা অনেকটাই বন্ধ হয়ে গেছে। তাছাড়া বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে ২ শতাংশ ইনসেনটিভ দিচ্ছে এটাও কাজে আসবে।

এ ধারা ধরে রেখে রেমিটেন্সের গতি বাড়ানোর জন্য প্রবাসীদের মাঝে আরও উৎসাহ সৃষ্টির আহ্বান জানিয়েছেন প্রবাসীরা। পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা পাঠানোর পদ্ধতি আরও সহজতর করার পরামর্শ এই ব্যাংক কর্মকর্তার।

যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ফকু চৌধুরী বলেন, ট্রাকা ট্রান্সফারটা সহজ করতে পারে। তখন বৈধ পথে সবাই টাকা পাঠাতে পারে।

পাঠকের মতামত

আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

আমাদের অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ