বইমেলায় বঙ্গবন্ধু ও চা শিল্প শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান

বৃহস্পতিবার অমর একুশে গ্রন্থমেলার ১৯-তম দিন। এদিন নতুন বই এসেছে ১৪৩টি।  বিকেল ৪:০০টায় গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় আবুল কাসেম রচিত বঙ্গবন্ধু ও চা শিল্প শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন দীপংকর মোহান্ত।

আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন মেসবাহ কামাল ও মোকারম হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক বিশ্বজিৎ ঘোষ।
প্রাবন্ধিক বলেন, জাতীয়তাবাদী ও জনমুক্তির নেতা হিসেবে বঙ্গবন্ধুর অন্তরের গহীনে অবহেলিত চা শ্রমিকদের দীর্ঘশ্বাসের স্পন্দন প্রতিধ্বনি হতে শোনা যায় নানাভাবে। ১৯৫৬ সালে চা শ্রমিকদের হাত ধরে তিনি প্রথম বলেছিলেন, ‘তোমাদের সকল দুঃখের খবরই রাখি। এসব দুঃখ দূর করবার জন্য আমরা খুবই চেষ্টা করিব’। আবার বঙ্গবন্ধু পূর্ববঙ্গের শিল্প-উন্নয়নে উদার নীতিমালার অংশ হিসেবে চা শিল্প ও ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে অল্প সময়ে ব্যাপক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন। তাঁর অবদান যথাযথ মূল্যায়িত হয়েছে গবেষক আবুল কাসেমের বঙ্গবন্ধু ও চা শিল্প গ্রন্থে।
আলোচকবৃন্দ বলেন, চা শিল্প ও বঙ্গবন্ধু গ্রন্থে শ্রমিকদের সঙ্গে জাতীয় নেতা হিসেবে বঙ্গবন্ধুর যে সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল সেই প্রেক্ষাপট বিশদভাবে ফুটে উঠেছে। তিনি অবহেলিত চা জনগোষ্ঠীর প্রতি যে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছিলেনÑ তা আজ জাতীয় ইতিহাসের গৌরবজনক অংশ।
গ্রন্থের লেখক বলেন, বঙ্গবন্ধুর প্রতি ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে এই বইয়ের ভাবনা। আশা করি, এর মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর জীবনের একটি ব্যতিক্রমী দিক মানুষের কাছে স্পষ্ট হবে।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, জাতীয় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে জড়িয়ে আছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু। বাংলাদেশের চা শিল্পের বিকাশে এবং চা শ্রমিকদের জীবনমানোন্নয়নে তাঁর অবদান কখনো বিস্মৃত হওয়ার নয়।
আজ লেখক বলছি অনুষ্ঠানে নিজেদের নতুন বই নিয়ে আলোচনা করেন মাসুদুজ্জামান, রঞ্জনা বিশ্বাস, মাজুল হাসান এবং মঈনুল হাসান ।

পাঠকের মতামত

আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

আমাদের অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ