করোনায় ঘড়বন্দি থাকায় গেমসে আসক্ত হয়ে পরেছেন শিক্ষার্থীরা

শরীফুল ইসলাম সুমন, নারায়ণগঞ্জ:

বৈশিক মহামারি (কোভিড-১৯) করোনা ভাইরাস চলমানের এই দূর্যোগ কালিন সময়ে স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা বাড়িতে বসে অবসর সময় কাটাচ্ছেন। কখেনা টেলিভিশন দেখে, আবার কখনো স্মার্ট মোবাইল ফোনে পাপজি গেমস-ফ্রি ফায়ার গেমস খেলছেন।

নারায়ণগঞ্জ সহ সারাদেশে উঠতি বয়সের ছেলে-মেয়েরা ঘরে বসে পাপজি ও ফ্রি ফায়ার গেইমসে খুব বেশী আসক্ত হয়ে পরেছেন। পড়াশোনার ফাঁকে এই গেইমস তারা খেলছে না, বরং তারা যখন তখন ঘন্টার পর ঘন্টা বসে এই গেমসগুলো আসক্ত হয়ে পরছেন।

সোমবার (৬জুলাই) নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ও পাড়া মহল্লার স্কুল কলেজে ছেলে মেয়েরা বাড়িতে বসে এ সকল আসক্ত মুলক গেইমসে বসে ঘন্টার পর ঘন্টা সময় পার করছেন। অনেকে পড়াশোনা না করে নাওয়া-খাওয়া না করে এ সকল আসক্তমূলক গেইমস খেলছেন। নারায়ণগঞ্জ শহরের বেশ কয়েকটি নামীদামি স্কুল-কলেজ,শহরের বাইরের স্কুল গুলোর শিক্ষার্থীরা খুব বেশী আসক্ত হয়ে পরেছেন এই দুটি গেইমসে।

 

এ বিষয়টি নিয়ে অভিভাবক মহল খুবই উদ্বিগ্ন হয়ে পরেছেন। তারা জানিয়েছেন, চলমান করোনা ভাইরাস চলাকালে দীর্ঘ প্রায় ৪ মাস যবৎ স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় ছেলে মেয়েরা বাসায় রয়েছেন। পাপজি এবং ফ্রি ফেয়ার গেইমস এর জন্য বাসায় ওয়াই ফাই সংযোগ তাদের লাগবেই লাগবে, নয়তো মোবাইলে ডাটা এমভি লাগবেই, লাগবে এই বায়নাই করছেন তারা। বাবা মায়ের আর্থিক সামর্থ কতটুকু রয়েছে তা তারা জানছেন না,মানছেন না। তাদের ইচ্ছা পূরন না করা হলে অনেক অভিভাবগণ অশদাচারনের শিকার হন। এই দুটি গেইমসের আর্টিষ্টরা যেমন আচরন করেন ঠেক তেমনি আচরন করার চেষ্টা করেন তারা। অনেক বাবাই মা অর্থিক অনটনের পরেও তারা ছেলে মেয়েদের লেখা পড়া চালিয়ে যাচ্ছেন। তার পরও এই মহা দূর্যোগ চলাকালে ছেলে মেয়েদের এ ধরনের বায়নায় বিপাকে পড়েছেন অভিবাভকগণ। তারা মনে করেন, অর্থ খরচ করে এ ধরনের মোবাইল গেইমস কারোর জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে না। বরং সমাজের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা অচিরেই হারিয়ে যাবে তাদের মেধার বিকাশের সুন্দর ভবিষ্যতের পথ থেকে।

এ ধরনের আসক্তিমূলক মোবাইল গেইমস বন্ধ না করা হলে অচিরেই ধংসের দ্বাড়প্রান্তে দাঁড়াতে হবে দেশের সকল শিক্ষার্থী সহ আগামী প্রজন্মের।

পাঠকের মতামত

আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

আমাদের অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ